Thursday, July 2, 2015

পাশবিক নির্যাতনের বর্ণনা দিলেন সিরিয়া ফেরত নারী

পাশবিক নির্যাতনের বর্ণনা দিলেন সিরিয়া ফেরত নারী

 মাদকাসক্ত স্বামীর কাছে দিনের পর দিন নির্যাতন। সঙ্গে আর্থিক টানাপড়েন। দুই সন্তানসহ মাসের অন্তত ১৫ দিনই এক বেলা খেয়ে দিন কাটে। লেবাননে মাসে ২০ হাজার টাকা বেতনের প্রলোভন। তাই একদিন সুখের আশায় প্রতিবেশী এক দালালের ফাঁদে পড়ে স্বামী-সন্তান দেশে রেখে লেবাননে পাড়ি জমান ফারহানা আক্তার (ছদ্মনাম)।
ভেবেছিলেন এবার অন্তত দুই বেলা খাবার নিশ্চিত হবে। তবে সুখ তার কপালে সয়নি। পাসপোর্টে লেবাননের ভিসা থাকলেও প্রতারক চক্র কৌশলে তাকে পাঠিয়ে দেয় সিরিয়ায়। ঠাঁই হয় একটি নির্যাতন ক্যাম্পে। দালালদের কথামতো কাজ করতে রাজি না হওয়ায় টানা ছয় মাস চলে তার ওপর পাশবিক নির্যাতন। দুই দফা লুকিয়ে নির্যাতন ক্যাম্প থেকে পালিয়ে এসেছিলেন। তবে প্রতিবারই সিরিয়ার পুলিশ তাকে তুলে দেয় দালালদের হাতে। তবু থেমে থাকেনি নির্যাতন। এক পর্যায়ে গুরুতর অসুস্থ ফারহানাকে (২৮) দিয়ে কোনো কাজ করানো সম্ভব না হওয়ায় গত জানুয়ারিতে দেশে ফেরত পাঠায় দালাল চক্র।
সর্বশেষ রবিবার ফারহানার মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে র‌্যাব পল্টন এলাকা থেকে দালাল চক্রের দুই হোতা জসিম আহমেদ ও সিরাজ শিকদারসহ ১৩ সদস্যকে আটক করে। পরে র‌্যাব-৩-এর কার্যালয়েই কথা হয় ফারহানার সঙ্গে। নির্যাতনের কাহিনী শুনে অনেকেই চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি।
ফারহানা এ প্রতিবেদককে বলেন, “আমি অন্ধকার যুগে ছিলাম। আমাকে দিয়ে করানো হতো পতিতাবৃত্তি। রাজি না হলেই চলত রাত-দিন নির্যাতন, তিন বেলার বদলে জুটত এক বেলা খাবার, ছোট্ট একটি কক্ষে গাদাগাদি করে ৩০-৩৫ জন থাকা। এর মধ্যে ২৮ জনই বাংলাদেশি। দালালদের প্রস্তাবে রাজি না হলেই ইলেকট্রিক শক দিত। নির্যাতনের এক পর্যায়ে একদিন আমার হাতও ভেঙে দেওয়া হয়। চিৎকার করলেই মুখে গুঁজে দেওয়া হতো কাপড়। কোনো চিকিৎসা ছাড়াই ফেলে রাখা হয় আমাকে। সর্বশেষ আমাকে দিয়ে ‘কোনো কাজ’ হবে না বলেই তারা দেশে ফেরত পাঠিয়ে দেয়।” এটুকু বলেই হাউমাউ করে কাঁদতে শুরু করেন ফারহানা।
ফারহানার পাশেই বসা ছিলেন তার মা হাফিজা বেগম (ছদ্মনাম)। তিনি বলেন, ‘সিরিয়া থেকে নভেম্বর মাসে ফারহানা আমাকে লুকিয়ে ফোন করে। শুরুতেই বলে মা আমাকে বাঁচাও। আমি মারা যাচ্ছি। দুই মিনিট কথা হইতেই লাইন কেটে যায়। পরে পল্টন থানায় দিনের পর দিন ঘুরছি। তারা একদিন দালাল সিরাজ শিকদারকে ডাকে। তবে আমার কোনো কথা তারা শোনেনি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার অসুস্থ মেয়ে দেশে ফেরার পর কয়েক দফায় ৯০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে ওর চিকিৎসা করিয়েছি। এর পরও সুস্থ হয়নি। ডাক্তার বলেছে, দিনের পর দিন খাবার-পানি না খাওয়ার কারণে তার কিডনিতে সমস্যা হয়েছে। এখন আমরা কোথায় যাব বলেন বাবা?’   
নিজেকে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে ফারহানা জানান, দালাল সিরাজ তাকে কাতার কিংবা লেবাননে পাঠানোর কথা বলেন। খরচ হবে মাত্র ৫০ হাজার টাকা। মাসে ২০ হাজার টাকা বেতন। থাকা-খাওয়া ফ্রি। সিরাজের কথায় রাজি হয়ে পাসপোর্ট তৈরি করে তার হাতে তুলে দেন। সঙ্গে দেন ৫০ হাজার টাকাও। গত বছরের প্রথম দিকে সিরাজ তাকে কাতারে পাঠান। কাতার গিয়ে এক বাসায় কাজও শুরু করেন। কিন্তু বাসার পুরুষ মানুষ তাকে যৌন নির্যাতনের চেষ্টা করেন। বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে দালালকে জানান তিনি। দালাল সিরাজ তাকে বুদ্ধি দেন বাসা থেকে পালিয়ে পুলিশের কাছে যাওয়ার জন্য। বলেন, ফিরে এলে তাকে বিনা খরচে লেবাননে পাঠাবেন।
সেখানে এমন কোনো সমস্যা হবে না। ফারহানা তা-ই করেন। রাস্তা থেকে পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে যায়। পনের দিন থাকতে হয় কারাগারে। পরে দূতাবাসের মাধ্যমে ফিরে আসেন দেশে। এরপর গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর আরও ৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে দালাল তাকে লেবাননে পাঠানোর জন্য তুলে দেন বিমানে। কিন্তু দুবাই থেকে দালালরা তাকে নিয়ে যায় সিরিয়ায়। এরপর তিনি গিয়ে পড়েন আরেক নরকে। ফারহানা বলেন, কীসের গৃহকর্মীর কাজ, তাকে পাঠানো হয়েছে পতিতা হিসেবে কাজ করার জন্য। এটা শুনে যেন মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে তার। দালালরা তাকেসহ ২৮ জন বাঙালি নারীকে তাদের অফিসে নিয়ে যায়। সেখানে একটি ঘরে আটকিয়ে রাখে। প্রতিদিন একজন করে এসে গৃহকর্মীর কাজ করানোর কথা বলে বাসায় নিয়ে যায়।
কিন্তু বাসায় নিয়েই শুরু করে যৌন নির্যাতন। বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। কখনো পেরে উঠতেন, কখনো না। এ কারণে দু-এক দিন পরই সেই লোক তাকে আবার ফেরত দিয়ে যেতেন দালালদের সেই অফিসে। বাধা দেওয়ার কারণে অফিসে চলত নির্যাতন। হাত-পায়ের তালুতে পেটানো হতো। দেওয়া হয়েছে ইলেকট্রিক শকও। ফারহানা বলেন, দালালদের কথামতো কাজ না করায় খাবার দেওয়া হতো এক বেলা, প্রতিদিন বিকালে। তাই খেয়ে কোনোরকমে দিন পার করতেন তিনি। বাড়িতে যোগাযোগেরও কোনো উপায় ছিল না। অচেনা জায়গা, কোথায় গিয়ে কী করবেন বুঝে উঠতে পারছিলেন না। দুবার পালিয়েছিলেন, পুলিশের কাছে গিয়েছিলেন কিন্তু পুলিশও আবার তাকে দালালদের সেই অফিসে রেখে গেছে। ফারহানার ভাষ্য, একটি বাসায় তিনি দিন পনেরোর মতো ছিলেন। ওই বাসার গৃহকর্তা ও তার ছেলে দুজনই তাকে ধর্ষণ করেছেন।
আরেক বাসায় ছিলেন দিন দশেক। সেই বাসার গৃহকর্তা ভালো ছিলেন। কিন্তু গৃহকর্তার বৃদ্ধ বাপ তাকে যৌন নির্যাতন করতেন। বিষয়টি গৃহকর্তা ও তার স্ত্রীকেও জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তারা তার কথাকে পাত্তাই দেননি। বৃদ্ধকে যৌন নির্যাতনে বাধা দেওয়ায় তাকে আবারও পাঠানো হয় দালালদের সেই অফিসে। সেবার নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যায় আরও। পিটিয়ে হাত ভেঙে ফেলা হয় তার। এ সময় পুরোটাই অফিসে পড়ে থাকেন তিনি। একদিন ইন্দোনেশীয় এক তরুণীর মোবাইল নিয়ে বাথরুমে গিয়ে ফোন করেন মাকে।

মেয়েদের শিক্ষা ও কাজ দিলে বাল্য বিবাহ কমবে -বিবিসিকে প্রধানমন্ত্রী

মেয়েদের শিক্ষা ও কাজ দিলে বাল্য বিবাহ কমবে -বিবিসিকে প্রধানমন্ত্রী

 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মেয়েদের যদি শিক্ষা ও কাজের সুযোগ দেওয়া হয়, তবে বাল্যবিবাহ কমানো সম্ভব। এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে হবে যাতে অভিভাবকেরা মনে করেন, বিয়ে একটি মেয়ের জীবনের একমাত্র লক্ষ্য হতে পারে না। গতকাল বুধবার রাতে বিবিসি ওয়ার্ল্ড নিউজ টেলিভিশনে প্রচারিত সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন শেখ হাসিনা।
জাতিসংঘ ঘোষিত সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) বিষয়ে বুধবার ঢাকার কারওয়ান বাজার থেকে সরাসরি প্রচারিত একটি অনুষ্ঠানের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাক্ষাৎকারের অংশবিশেষ প্রচার করা হয়। বিবিসির অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন মিশাল হুসেন। এতে বলা হয়, মাতৃ ও নবজাতক মৃত্যুর হার কমানো, শিশুদের স্কুলে ভর্তির হার বাড়ানোসহ কয়েকটি এমডিজি অর্জনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বেশ সফলতা দেখিয়েছে।
ওই দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দুর্নীতি ও জঙ্গিবাদ দমন এবং ধর্মনিরপেক্ষতা ফিরিয়ে আনায় তাঁর সরকার সফল হয়েছে। বিবিসি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পাওয়া পুরো সাক্ষাৎকারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ নিচে তুলে ধরা হলো:
এমডিজি অর্জন: বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৫ বছরের কম বয়সী মেয়েদের বিয়ে দেওয়ার হার বাংলাদেশে সর্বোচ্চ। এতে বলা হয়, এ সমস্যা মোকাবিলায় সরকারের অঙ্গীকার নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিবিসিকে বলেন, তাঁদের লক্ষ্য বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অগ্রগতি হচ্ছে। বাল্যবিবাহ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আইন করেই শুধু এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসা যাবে না। মেয়েদের সক্ষম করে তুললেই এই প্রবণতা কমবে।’
শিক্ষার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের দেওয়া সুযোগ-সুবিধার চিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা স্কুলে বিনা মূল্যে বই সরবরাহের ব্যবস্থা করেছি। এখন কোনো বাবা-মাকে সন্তানের বই কেনার বিষয়ে ভাবতে হয় না।’
নারীশিক্ষা প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ‘মাধ্যমিক পর্যায়ে কিছু ঝরে পড়া রয়েছে। কিন্তু আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। বিশেষ করে মেয়েদের শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য।’
এমডিজি বাংলাদেশ কতটুকু অর্জন করতে পেরেছে—এ ব্যাপারে শেখ হাসিনার মূল্যায়ন জানতে চাইলে তিনি বিবিসিকে বলেন, ‘এখন আমি বলতে পারি, আমরা এক থেকে ছয়টি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পেরেছি। আমরা অনেক কিছু করেছি।’
দুর্নীতি কমাতে পদক্ষেপ: টিআইয়ের দুর্নীতির সূচকে ১৭৫টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৫তম—এ কথা উল্লেখ করে প্রশ্ন করা হয়, যুক্তরাজ্যের করদাতারা কেন বাংলাদেশকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সামরিক শাসকেরা বারবার এ দেশ শাসন করেছে। এতে গণতন্ত্রের ধারা ব্যাহত হয়েছে। গণতন্ত্রের চর্চা হলে এবং দায়বদ্ধতা প্রতিষ্ঠিত হলে দুর্নীতি কমে। আমরা দুর্নীতি কমাতে পারতাম। কিন্তু দুর্নীতি এখন সর্বব্যাপী।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্নীতি কমিয়ে আনতে আমরা অনেক পদক্ষেপ নিয়েছি। আমাদের গণতন্ত্র কেবল বিকশিত হচ্ছে। ব্রিটেনে গণতন্ত্রের চর্চা হচ্ছে দুই শ-তিন শ বছর ধরে থেকে।’ বিবিসির সাংবাদিককে পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনি কি আমাকে বলতে পারবেন, আপনাদের দেশে দুর্নীতি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে?’
‘বাংলাদেশ এখনো ধর্মনিরপেক্ষ’: প্রধানমন্ত্রীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাষ্ট্রীয় নীতি হিসেবে ধর্মনিরপেক্ষতাকে প্রতিষ্ঠিত করার কথা উল্লেখ করে প্রশ্ন করা হয়, বাংলাদেশ এখনো ধর্মনিরপেক্ষ আছে বলে তিনি মনে করেন কি না। শেখ হাসিনা বলেন, ‘অবশ্যই আছে। ১৯৭৫ সালে আমার বাবাকে হত্যার পর সামরিক শাসক দেশের ক্ষমতা নেয়। তারা সংবিধান সংশোধন করে এবং সংবিধান থেকে ধর্মনিরপেক্ষতা শব্দটি বাদ দেয়। আমার দ্বিতীয় দফা শাসনামলে আবার ধর্মনিরপেক্ষতা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করি।’
জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণে: তিন ব্লগারের ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে প্রশ্ন করা হয়, সরকারের সঙ্গে জঙ্গি ইসলামপন্থীদের কোনো সমস্যা আছে কি না। উত্তরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপি জঙ্গিদের উৎসাহিত করেছে। আমাদের দুজন সাংসদকে হত্যা করা হয়েছে। আমিও আক্রান্ত হয়েছি। আমি সরকার গঠন করার পর থেকে সন্ত্রাসী বা উগ্রপন্থীদের ছাড় না দেওয়ার কথা ঘোষণা করি।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, জঙ্গিবাদ দমনের বিষয়টি অনেক কঠিন হলেও এখন তা নিয়ন্ত্রণে আছে।
এখন কী হচ্ছে—এর জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘একটি বা দুটি ঘটনা ঘটতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে কী হয়েছে? তাহলে আমরা কি ওই দেশটিকে কেবল সন্ত্রাসীদের দেশ বলব? মোটেও তা নয়।’
জঙ্গিদের হত্যাকাণ্ডের তালিকার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা তালিকার ব্যক্তিদের নিরাপত্তায় সব ব্যবস্থা নিয়েছি। এ ছাড়া, ওই তালিকা যারা বানিয়েছে, তাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি। ...সমালোচনাকারীরা যেকোনো কিছু বলতে পারে। তারা ভালো কিছু দেখে না। আমি আমার কাজ করছি। আমরা অবশ্যই সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কাজ করছি।’
মোদির মন্তব্য নিয়ে: বিবিসির প্রতিবেদক প্রশ্ন করেন, নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ সফরে এসে বললেন, আপনি একজন নারী হয়েও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। এ নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলেছেন। তাঁর ওই বক্তব্যে আপনার মনে কী প্রতিক্রিয়া হয়েছিল? জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আপনি জানেন, এই সমাজ পুরুষশাসিত। পুরুষেরা সব সময়ই ভাবে, তারাই ভালো কাজ করতে পারে। কিন্তু এই উপমহাদেশেরই অনেক দেশ শাসন করছে নারীরা। আমাদের দেশে আমার সরকারের প্রথম মেয়াদে আমি তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট পর্যন্ত নারী নেতৃত্ব তৈরি করা শুরু করি।’ মোদির মন্তব্যে তিনি হতাশ হয়েছিলেন কি না, প্রতিবেদক আবারও তা জানতে চাইলে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তিনি হয়তো এমনই মনে...প্রশ্নটা বরং তাঁকেই (মোদি) করুন না।’
একটু ঘুরিয়ে একই প্রশ্ন আবার করা হলে শেখ হাসিনা বলেন, ‘দেখুন, আমি হতাশ নই। ...কারণ অনেক সময় পুরুষেরা অনেক কথাই বলে, তবে একজন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি হয়তো বলতে চেয়েছেন, আমি যে সাহস দেখিয়েছি, অনেক পুরুষও তা দেখাতে পারেনি। আমি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি। তিনি হয়তো এরই প্রশংসা করতে চেয়েছেন।’
ভাগনি টিউলিপ ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় কেমন লাগছে জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি ওর জন্য গর্বিত। ও দারুণ করেছে।’ পার্লামেন্টে টিউলিপের ভাষণ শোনার বিষয়ে জানতে চাইলে শেখ হাসিনা ভাগনির প্রশংসা করে বলেন, ‘ওর কণ্ঠস্বর আর কথা বলার ভঙ্গি অসাধারণ। ও একদিন বড় নেতা হবে।’

আল কায়দার বাংলাদেশ প্রধানসহ ১২ জঙ্গি আটক

আল কায়দার বাংলাদেশ প্রধানসহ ১২ জঙ্গি আটক

ঢাকা, ২ জুলাই- জঙ্গি সংগঠন আল কায়দা বাংলাদেশের প্রধান সমন্বয়কারী ও উপদেষ্টাসহ ১২ জঙ্গিকে আটক করেছে র‌্যাব। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমান জিহাদী বই ও বেশ কয়েকটি ছুরি উদ্ধার করা হয়। 
বুধবার (০২ জুলাই) গভীর রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। 
র‌্যাব সদর দফতরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া ইউংয়ের সহকারী পরিচালক মেজর মাকসুদুল আলম বাংলানিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। 
তিনি বলেন, আটককৃতদের মধ্যে প্রধান সমন্বয়করী মওলানা মাইনুল ইসলাম ও প্রধান উপদেষ্টা মুফতি জাফর আমিন রয়েছেন। তারা বাংলাদেশে দক্ষিণ এশিয়া ভিত্তিক আল কায়দার কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলো। 
তবে তাৎক্ষণিক ভাবে আটক সবার নাম জানা যায়নি।  
এ বিষয়ে দুপুর ১২টায় র‌্যাব সদর দফতরে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও জানান তিনি।

Sunday, June 28, 2015

মডেলিং জীবনে কেমন দেখতে ছিলেন ক্যাটরিনা, দীপিকা, অনুষ্কা

মডেলিং জীবনে কেমন দেখতে ছিলেন ক্যাটরিনা, দীপিকা, অনুষ্কা

এহেন দীপিকা পাড়ুকোন, ক্যাটরিনা কাইফ ও অনুষ্কা শর্মা, তিনজনেই নিজেদের কেরিয়ার শুরু করেছিলেন মডেলিংয়ের জগতে পা রেখে।
দীপিকা পাড়ুকোনতো অনেক বয়সে মডেলিংয়ে নামেন। যখন দীপিকা দশম শ্রেণিতে পড়ছিলেন তখন, ব্যাডমিন্টনকে ছেড়ে মডেলিংকেই নিজের কেরিয়ার হিসাবে বেছে নেন। বলিউডে পা রাখার আগে তিনি কিংফিশার ক্যালেন্ডারের বিখ্যাত মডেল ছিলেন। অনুষ্কা শর্মা পড়াশোনা শেষে ব্যাঙ্গালোর থেকে মুম্বইয়ে পাড়ি দেন মডেলিং করবেন বলে। আর হংকংয়ে জন্মানো ক্যাটরিনা কাইফ মাত্র ১৪ বছর বয়সে একটি ফ্যাশন শো’য়ে অংশ নেন।
নিচের দেখে নিন এই তিন বলিউড সুন্দরীর মডেলিং জমানার কিছু এক্সক্লুসিভ ছবি।

ক্যাটরিনা কাইফ : মাত্র ১৪ বছর বয়সে হাওয়াইয়ে একটি বিউটি কনটেস্টে অংশ নিয়ে পুরস্কার জিতে নেন ক্যাটরিনা কাইফ।

লন্ডনের একটি ফ্যাশন শো’য়ে ছবি নির্মাতা কায়জাদ গুস্তাদ ক্যাটরিনাকে দেখে ‘বুম’ সিনেমায় তাকে অভিনেত্রী হিসাবে বেছে নেন। ২০০৩ সালে বলিউডে পা রাখেন ক্যাটরিনা কাইফ। তবে ‘বুম’ সিনেমাটি বক্স অফিসে চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ হয়।

ক্যাটরিনাকে ছবিতে নিতে ভরসা পাচ্ছিলেন না কোনও পরিচালক। পরে ২০০৫ সালে সালমানের সঙ্গে জুটি বেঁধে তিনি ‘ম্যায়নে পেয়ার কিঁউ কিয়া’ ছবিতে অভিনয় করেন। এরপর আর ফিরে তাকাতে হয়নি ক্যাট সুন্দরীকে।

ক্যাটরিনার ছোট্ট বয়সে বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ হয়। মায়ের কাছেই বড় বয়ে উঠেছেন তিনি। ক্যাটরিনারা মোট সাত বোন ও এক ভাই। ক্যাটরিনার মা সমাজকর্মী হওয়ায় বিশ্বের বহু দেশে ঘুরে ঘুরে থাকতে হয় ক্যাটরিনাদের। ফলে বাড়িতেই প্রাইভেট শিক্ষকের কাছে পড়াশোনা শিখতে হয়েছে ক্যাটরিনা ও তার ভাইবোনদের।

বলিউডে এসে ক্যাটরিনা প্রথমেই সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন সালমান খানের সঙ্গে। পরে তাদের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়।

এই মুহূর্তে রণবীর কাপুরের সঙ্গে প্রেমপর্বে ব্যস্ত ক্যাটরিনা। শোনা যাচ্ছে, আগামী বছর বিয়ে করতে চলেছেন দু’জনে।

দীপিকা পাড়ুকোন : অভিনয় জগতে পা রাখার আগে জনপ্রিয় মডেল ছিলেন দীপিকা পাড়ুকোন। কিংফিশারের ক্যালেন্ডার গার্ল হিসাবে প্রথম থেকেই খ্যাতি ছিল দীপিকার।

২০০৬ সালে মুক্তি পাওয়া কন্নর সিনেমা ‘ঐশ্বর্য’তে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেন দীপিকা।

হিমেশ রেশমিয়ার একটি মিউজিক ভিডিওতে দীপিকাকে দেখে ‘ওম শান্তি ওম’ সিনেমায় তাকে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন পরিচালক ফারহা খান।

দীপিকার জন্ম হয় কোপেনহেগেনে এবং তিনি বড় হন বেঙ্গালুরুতে। ছোট বয়সে ব্যাটমিন্টন খেলোয়াড় হিসাবে তিনি জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন।

রণবীর সিংয়ের বিপরীতে ‘গোলিও কি রাসলীলা রাম-লীলা’ সিনেমায় অভিনয় করে সেরা অভিনেত্রীর ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পেয়েছেন দীপিকা।

ক্যাটরিনার আগে রণবীর কাপুরের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন দীপিকা পাড়ুকোন। এই মুহূর্তে অভিনেতা রণবীর সিংয়ের সঙ্গে ডেটিংয়ে ব্যস্ত দীপিকা পাড়ুকোন।

অনুষ্কা শর্মা : ব্যাঙ্গালোরে বেড়ে ওঠা অনুষ্কা পড়াশোনা শেষে মুম্বাইয়ে পাড়ি দেন। সেখানে একটি শো’য়ে আদিত্য চোপড়ার চোখে পড়ে যান তিনি। এরপর যশরাজ ফিল্মসের সঙ্গে অনুষ্কার তিনটি সিনেমার চুক্তি হয়।

‘ল্যাকমে ফ্যাশন উইক’ দিয়ে নিজের মডেলিং জীবন শুরু করেন অনুষ্কা।

‘রব নে বনা দি জোড়ি’ সিনেমায় শাহরুখ খানের বিপরীতে অভিনয় করে বলিউডে পা রাখেন অনুষ্কা শর্মা।

প্রথম সিনেমার পরও অভিনেত্রী হিসাবে নম্বর পাচ্ছিলেন না অনুষ্কা শর্মা। ‘ব্যান্ড বাজা বারাত’ সিনেমায় অভিনয় তাকে প্রভূত খ্যাতি এনে দেয়।

অনুষ্কা শর্মার সঙ্গে ক্রিকেটার বিরাট কোহলির প্রেম এখন সারা ভারতের সবাই জানে।

ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে বাণিজ্যিকভাবে সবচেয়ে সফল ছবি ‘পিকে’তে আমির খানের সঙ্গে অভিনয় করেছেন অনুষ্কা।

সমকামী প্রেমে মজেছেন বলি-সেলেবরা

সমকামী প্রেমে মজেছেন বলি-সেলেবরা


গত ২৬শে জুন আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি প্রদেশে সমলিঙ্গ বিবাহ আইনী স্বীকৃতি পায়। এই উপলক্ষে সোশাল মিডিয়ার উচ্ছ্বাস ও আনন্দের মিছিলে সামিল হয়েছেন পৃথিবীর সবপ্রান্তের বিখ্যাত মানুষেরাও। বলিউডের সেলেবরাও বাদ নেই সেই দৌড় থেকে।
সোনাম কাপুর থেকে ঈশা গুপ্তা কিংবা নিমরত কাউর থেকে সেলিনা জেটলি সবার টুইটারে সমকামী প্রেমের প্রতীক রামধনু রং। আমেরিকার এই রায়কে স্বাগত জানিয়ে তারা যে ভারতেও প্রগতির অপেক্ষা করছেন সেকথাও জানাচ্ছেন তারা।

চেহারা দেখে শনাক্ত করবে ফেসবুকের নতুন প্রযুক্তি

 চেহারা দেখে শনাক্ত করবে ফেসবুকের নতুন প্রযুক্তি


ফেসবুকের নতুন এই স্পর্শকাতর প্রযুক্তি সম্পর্কে বলা হয়, মানুষের দেহের কাঠামো, পোশাক ইত্যাদি বিশ্লেষণ করেই মুখ ঢেকে রাখা মানুষটি কে, তা বলে দেবে ফেসবুক। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে মুখ ঢেকে রাখা মানুষটি ফেসবুকে কোনো ছবি আপলোড করে থাকলে তাও বের করে ফেলা সম্ভব হবে।
ইতিমধ্যে ফেসবুকের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কিছু স্পর্শকাতর প্রযুক্তি রয়েছে। ফেসবুক ছবি দেখে মানুষটিকে শনাক্ত করা, তাদের নাম ট্যাগ করে এবং বিশেষ মুহূর্ত থেকে তাদের বেশ কয়েকটি ছবি খুঁজে বের করতে সক্ষম।
এ কাজটি করতে গবেষকরা ফ্লিকার থেকে ৪০ হাজার মানুষের ছবির নেটওয়ার্ক ব্যবহার করেছে। যে অ্যালগোরিদম তৈরি করা হয়েছে তা ৮৩ শতাংশ সফলভাবে কাজ করছে।
চেহারা শনাক্তকরণ প্রযুক্তি এর আগে বহুবার নানা তর্কের জন্ম দিয়েছে। এর আগে এমন প্রযুক্তি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইউরোপে। এখন ফেসবুকের এমন পদক্ষেপের ভবিষ্যত কি হয়, তা সময় হলে দেখা যাবে।

৩০ জুনের সঙ্গে যোগ হচ্ছে এক সেকেন্ড

০ জুনের সঙ্গে যোগ হচ্ছে এক সেকেন্ড 

২০১৫ সালের ৩০ জুনের সঙ্গে যোগ হচ্ছে                                     

ইন্টারন্যাশনল আর্থ রোটেশন অ্যান্ড রেফেরেন্স সিস্টেম সার্ভিস (IERS) ৩০ জুনের সঙ্গে অতিরিক্ত ১ সেকেন্ড যোগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
পৃথিবীর ঘূর্ণনের ক্ষুদ্র পরিবর্তন লক্ষ্য করে প্যারিসে অবস্থিত এই আন্তর্জাতিক সংস্থাটি সময়ের পরিবর্তন করে। পৃথিবীড় ঘূর্ণন খুব ধীরে খানিক কমেছে, লিপ সেকেন্ডের যোগ সেই পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই করা।
জানিয়েছেন নাসার গোবার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের ড্যানিয়েল ম্যাকমিলন। ১৯৭২ সালে প্রথম কোনও নির্দিষ্ট দিনের সঙ্গে লিপ সেকেন্ড যোগ করার প্রচলন শুরু হয়।
তারপর থেকে মোট ২৫ বার লিপ সেকেন্ড যোগ করা হয়েছে। প্রত্যেক বারেই ৩০ জুনের সঙ্গেই বর্ধিত এক সেকেন্ড যোগ করা হয়। ১৯৭২ সালের আগে ভিন্ন প্রক্রিয়ার সময়ের সমন্বয় করা হত।
সাধারণ অবস্থায় এক দিনে মোট ৮৬ হাজার ৪০০ সেকেন্ড থাকে। সমন্বিত এই ইউনিভার্সাল টাইমের (UTC) উপরই পৃথিবীর তামাম জনতার জীবন নির্ভরশীল।
নির্ভুল অ্যাটোমিক ক্লকের মাধ্যমে এই সময় নির্ধারিত হয়। সেসিয়াম ক্লক এতটাই নির্ভুল যে প্রতি ১৪ লক্ষ বছর অন্তর এর প্রতি সেকেন্ডে পরিবর্তন হয়।
অন্যদিকে, একটি সৌরদিন নির্ভর করে নিজের অক্ষের চারদিকে ঘুরতে পৃথিবীর কত সময় লাগে তার উপর। গড়ে এই সময় ৮৬ হাজার ৪০০.০২ সেকেন্ড।
পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্যের মধ্যে মাধ্যাকর্ষণের টানাপোড়েনের ফলে পৃথিবীর ঘূর্ণন খুব ধীরে ধীরে কমে। বিজ্ঞানীদের মতে ১৮২০ সালের পর থেকে একটি সৌরদিন আর ৮৬ হাজার ৪০০ সেকেন্ড দিয়ে গঠিত নয়।

সারা বিশ্বকেই ওয়াই-ফাইয়ে মুড়ে দিবে গুগল

সারা বিশ্বকেই ওয়াই-ফাইয়ে মুড়ে দিবে গুগল

গুগল জানিয়েছে, তারা ইতিমধ্যেই এ নিয়ে কাজ আরম্ভ করে দিয়েছে। এর শুরু হচ্ছে নিউ ইয়র্ক দিয়ে। সারা বিশ্বে ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক বসাতে তারা কতটা গুরুত্ব দিয়ে ভাবছে এই খবরেই বুঝতে পারবেন। সাইডওয়াক ল্যাবস নামে একটি সংস্থাই খুলে ফেলেছে এই বিশেষ কাজকে বাস্তবে রূপান্তরিত করার জন্য।
আপাতত নিউ ইয়র্কে ওয়াই-ফাই পরিষেবা চালু করতে বিশেষ পদ্ধতি নিয়েছে গুগল। শহর জুড়ে প্রায় ১০ হাজার পুরনো বিগ অ্যাপল ফোন বুথকে তারা সাপোর্টেড ওয়াই-ফাই পাইলন্সে পরিণত করবে। এখান থেকে শুধুমাত্র ওয়াই-ফাই-এর সুবিধাই মিলবে না, সঙ্গে থাকছে মোবাইল চার্জ করার জায়গা। বিনামূল্যে বাড়িতে ফোনও করতে পারবেন এখান থেকে। কিয়স্কে একটি টাচ স্ক্রিনও থাকবে, যা শহর সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য আপনাকে জানাবে।
কোনাে বিশেষ জায়গায় যেতে হলে কিভাবে যাবেন, সেই রাস্তাও দেখিয়ে দেবে কিয়স্কের ভিতরে থাকা যন্ত্র।

ছাত্রীর সাথে শিক্ষিকার সমকামী সহবাস এর ভিডিও ইন্টারনেটে

ছাত্রীর সাথে শিক্ষিকার সমকামী সহবাস এর ভিডিও ইন্টারনেটে 



লরেন চ্যান্ডলর নামের ২৪ বছরের ওই মহিলা ওই ছাত্রীকে স্কুলের পাশাপাশি বাড়িতেও পড়াতেন যেতেন।
জানা গেছে, বিগত ২০১২ সালের অক্টোবর থেকেই ছাত্রীর সঙ্গে শিক্ষিকার সম্পর্ক তৈরি হয়। ঘটনার কথা জানার পরেই তদন্ত শুরু করে স্কুল কর্তৃপক্ষ। এর পরেই জানা যায় শিক্ষিকা ওই ছাত্রীর সঙ্গে সহবাসে লিপ্ত। এরপরেই ওই শিক্ষিকাকে স্কুল থেকে বহিস্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, ওই শিক্ষিকা তার পেশার প্রতি একেবারেই দায়বদ্ধ নন। এই ঘটনার কারণে ওই শিক্ষিকা অন্য কোনও স্কুলেই আর পড়াতে পারবেন না বলে জানা গিয়েছে।

মুখে না বলেও যেভাবে ভালোবাসা প্রকাশ করা যায়

মুখে না বলেও যেভাবে ভালোবাসা প্রকাশ করা যায়

তিনি আপনাকে নিজের পরিবার ও বন্ধুবান্ধবের সামনে নিয়ে যাচ্ছেন
যখন একজন পুরুষের কাছে কোনো নারী অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হন তখন তিনি  তাকে নিজের জীবনের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মানুষের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়ে থাকেন।

পানি শূন্যতা থেকে বাঁচতে চার খাবার

পানি শূন্যতা থেকে বাঁচতে চার খাবার

শসা:
শসার মধ্যে থাকে পটাসিয়াম যা শরীরে মিনারেলের ভারসাম্য ঠিক রাখতে সহায়তা করে। এছাড়াও শসার মধ্যে স্টেরল নামে একটি উপাদান যা শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখতে সহায়তা করে। স্টেরল বেশি থাকে শসার আঁশের মধ্যেই তাই শসার আঁশ ফেলার আগে দুইবার ভাবা উচিত।
তরমুজ:
রসালো ফল তরমুজ স্বাদের পাশাপাশি শরীরে প্রচুর পরিমাণ পানির যোগান দেয়। তাই রোদ বেশি হলে তরমুজ খেয়ে নেয়াটা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। তাতে অতিরিক্ত ঘামের ফলে শরীরে ক্লান্তি নেমে আসবে না।
স্ট্রবেরি:
সুস্বাদু ফল স্ট্রবেরিতে পানির পাশাপাশি ভিটামিন-সি পাওয়া যায়। ফলটি শরীরের হাড়ের সংযোগগুলো শক্ত করার পাশাপাশি সূর্যের তাপে পুড়ে যাওয়া চামড়ার রঙ ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রেও সহায়তা করে।
টমেটো:
ক্যান্সার প্রতিরোধী গুণ ছাড়াও টমেটো মানুষের শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানির যোগান দিতে পারে। এছাড়া লাইকোপেন নামে টমেটোতে একটি উপাদান থাকে যা আলট্রা ভায়োলেট রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বককে রক্ষা করে।

ওজন কমে বাদাম খেলে

ওজন কমে বাদাম খেলে

সম্প্রতি বেথ ইজরায়েল মেডিকেল সেন্টারের এক গবেষণায় দেখা গেছে, নাস্তার সঙ্গে কিছু বাদাম                                 পেট ভরাভরা লাগে, ফলে কম খাওয়া সম্ভব হয়। ক্যালরি কম গ্রহণ করা হলে ওজন হ্রাস পায়।


বাদামে থাকে পর্যাপ্ত চর্বি ও প্রোটিন। এতে ভিটামিন বেশি না থাকলেও পর্যাপ্ত পরিমাণে পটাশিয়াম আছে। ম্যাগনেসিয়ামসহ প্রয়োজনীয় আরও কিছু খনিজ এতে রয়েছে।
খাদ্য নিয়ন্ত্রণ যারা করেন, তারা ক্যালরি বেড়ে যাওয়ার ভয়ে বাদামের চর্বি এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেন। বাদামে শর্করা আছে সামান্যই। তাই এটি গ্রহণে ওজন বাড়ার সুযোগ নেই।

রান্না ছাড়াও দারুচিনির ৭ টি ব্যতিক্রমী ব্যবহার

রান্না ছাড়াও দারুচিনির ৭ টি ব্যতিক্রমী ব্যবহার

১) ওজন কমাতে দারুচিনি
শুনতে অবাক হলেও সামান্য দারুচিনির ব্যবহারে কমিয়ে আনতে পারবেন ওজন। হিউম্যান নিউট্রিশন সেন্টার অ্যাট টুফটস এর একটি গবেষণায় দেখা যায় দারুচিনি অরিতিক্ত ক্ষুধা কমায়, চিনি আসক্তি কমায় যার ফলে দেহের ওজন কমতে থাকে।
২) স্মৃতিশক্তি ও চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়াতে দারুচিনি
গবেষণায় দেখা যায় শুধুমাত্র দারুচিনির সুঘ্রাণের কারণেই আপনার মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং স্মৃতিশক্তি ও চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়ে। আর সেকারণেই গবেষকগণ সাথে একটি দারুচিনির খণ্ড রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকে। এছাড়াও সকালের চা বা কফিতে ২-১ খণ্ড দারুচিনি দিয়ে পান করলে পুরো দিনই সজাগ থাকবেন।
৩) ব্যথানাশক ঔষধ দারুচিনি
শারীরিক নানা ব্যথা এমনকি মাথাব্যাথার সমস্যাও দূর করে দিতে পারে দারুচিনি নিমেষেই। দারুচিনি প্রোস্টাগ্লান্ডিন নামক উপাদান মস্তিষ্ক শিথিল করে এবং মাংসপেশির ব্যথা উপশমে কাজ করে। আপনাকে শুধুমাত্র পান করতে হবে দারুচিনির চা।
৪) ত্বকের দাগ দূর ও ব্রণের সমস্যা সমাধানে দারুচিনি
দারুচিনির অ্যান্টিফাঙ্গাল, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকের দাগ দূর করে এবং ব্রণের উপদ্রব কমাতে সহায়তা করে। ১ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়োতে ৩ চা চামচ মধু ভালো করে মিশিয়ে কয়েক ঘণ্টা ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। এরপর কুসুম গরম পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে খুব ভালো ফল পাবেন।
৫) মুখের দুর্গন্ধ দূর করে দারুচিনি
প্রতিদিন গরম পানিতে দারুচিনি মিশিয়ে গার্গল করলে এমনকি শুধুমাত্র দারুচিনি চিবিয়ে খেলেও মুখের দুর্গন্ধ দূর হয় নিমেষেই। এছাড়াও দারুচিনির অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান মুখে ব্যাকটেরিয়ার উৎপাদন প্রতিরোধ করে দাঁত ও মাড়ির সুরক্ষা করে।
৬) পোকামাকড়ের কামড় উপশমে দারুচিনি
অনেক সময় পোকামাকড় কামড়ে দিলে অ্যালার্জির সৃষ্টি হয়। এই স্থানে দারুচিনি ও মধুর মিশ্রন লাগিয়ে দিলে ইনফেকশন, জ্বলুনি ও অ্যালার্জির সমস্যা দূর হয়ে নিমেষেই।
৭) বেক করা খাবার অনেকটা সময় ভালো রাখতে দারুচিনি
কেক, মাফিন, পাউরুটি ও বিস্কুট ধরণের খাবার বেক করার সময়ে সামান্য দারুচিনি ব্যবহার করলে খাবার সাধারণের তুলনায় বেশ কিছুদিন ফ্রেশ থাকে। দারুচিনির অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান খাবারে ফাঙ্গাসের আক্রমণ প্রতিহত করে খাবার ফ্রেশ রাখে।
সতর্কতাঃ
– গর্ভবতী নারীরা দারুচিনির এই ধরণের ব্যবহার থেকে দূরে থাকুন।
– মুখে যদি ঘা বা অন্য সমস্যা থাকে তাহলে দারুচিনি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
– অনেকের ত্বক অনেক সেনসিটিভ হয়ে থাকে, তারা ত্বকের সমস্যায় দারুচিনি ব্যবহার থেকে দূরে থাকুন।

মিষ্টি আলু ডায়াবেটিস রোগীসহ যে কারো জন্য কেন ভালো

মিষ্টি আলু ডায়াবেটিস রোগীসহ যে কারো জন্য কেন ভালো

তাহলে চলুন মিষ্টি আলুর স্বাস্থ্য উপকারিতা জেনে নিই
ডায়াবেটিসের জন্য ভালো
মিষ্টি আলুতে রয়েছে প্রাকৃতিক চিনি যা ডায়াবেটিস কমাতে সাহায্য করে এবং ইনসুলিন প্রতিরোধক ক্ষমতাকে স্থির রেখে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
হজমের জন্য
মিষ্টি আলুতে রয়েছে প্রচুর খাদ্য আঁশ যা স্বাস্থ্যকর হজমতন্ত্রের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
ফুসফুসের রোগ নিরাময়ে
ধূমপায়ীদের মাঝে এমফিসেমা বা শ্বাস কষ্টজনিত রোগ থাকে এবং তারা ভিটামিন এ এর অভাবে ভোগেন। মিষ্টি আলুতে থাকা ক্যারাটিনয়েড দেহে ভিটামিন এ তৈরি করে শ্বাসতন্ত্রকে পুনর্জীবিত করতে সাহায্য করে।
প্রতিরোধক ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
ভিটামিন ডি থাইরয়েড গ্ল্যান্ড, দাঁত, ত্বক, হার্ট, স্নায়ু, হাড় এবং দেহের শক্তির মাত্রা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মিষ্টি আলু ভিটামিন ডি এর শক্তিশালী উৎস।
হৃদপিণ্ডের সুস্থতায়
মিষ্টি আলুতে থাকা পটাসিয়াম হৃদপিণ্ডের কাজকে সামগ্রিক ভাবে উন্নত করতে সাহায্য করে সোডিয়ামের প্রভাব থেকে রক্ষা করে যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং ইলেক্টোলাইটেএর ভারসাম্যতা বজায় রাখে এছাড়া মিষ্টি আলুর ভিটামিন বি৬ স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক এবং degenerative disease প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
দেহের পেশী ও কলার সুস্থতায়
মিষ্টি আলুতে থাকা পটাসিয়াম খেলোয়াড়দের পেশীতে টান পরা বা ফুলে যাওয়া কমাতে সাহায্য করে। তাদের শক্তি প্রদান এবং পেশীর শিথিলতা আনতে সাহায্য করে। এছাড়া তাদের নার্ভ সিগনাল ও হার্টবিট নিয়ন্ত্রনেও সাহায্য করে।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
বিটা ক্যারোটিন বাতের ব্যাথা, হাড়ের ব্যাথা, অ্যাজমা ও বুড়িয়ে যাওয়া কমাতে সাহায্য করে এবং স্তন ও ফুসফুসের ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।
ভ্রুণের বৃদ্ধিতে
মিষ্টি আলু ফলিক এসিডের একটি খুব ভালো উৎস। গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে তাদের ভ্রুণের সুস্থ কোষ ও কলার বৃদ্ধির জন্য ফলিক এসিড খাওয়া খুবই প্রয়োজনীয়।
বিষন্নতা দূর করতে
মিষ্টি আলুতে থাকা পটাসিয়াম দেহের পানির ভারসাম্যতাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, অক্সিজেনের সরবরাহকে বাড়ায়। এছাড়া এতে থাকা ম্যাগনেসিয়ামের বিষন্নতা বিরোধী গুনাগুন হার্টবিটকে স্বাভাবিক করে।
ভিটামিন সি
মিষ্টি আলুতে রয়েছে উচ্চ মাত্রার ভিটামিন সি যা সমস্ত দেহের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
রক্তশূন্যতা প্রতিরোধে
মিষ্টি আলুতে থাকা উচ্চ মাত্রার আয়রন দেহের রক্তশূন্যতার বিরুদ্ধে কাজ করে কারন আয়রন রক্তের শ্বেত ও লোহিত কনিকা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সতেজ ত্বক
মিষ্টি আলু সেদ্ধ করে সেই পানিটা দিয়ে মুখ ধুলে ত্বকের বিরক্তিকর দাগ দূর হয় এবং রোমকূপ পরিষ্কার হয়। এতে থাকা ভিটামিন সি কোলাজেনের উৎপাদনে সাহায্য করে যার ফলে ভিটামিনই ত্বকের রঙ উজ্জ্বল করে। এছাড়া ত্বকের বলিরেখা, চোখের চারদিকের কালো দাগ এবং ফোলাভাব দূর করতে সাহায্য করে।
চুলের সুন্দর করতে
মিষ্টি আলুর বিটা ক্যারোটিন চুলের বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করে, চুলের বিভিন্ন সমস্যা যেমন খুস্কি দূর করে, ক্ষতিগ্রস্ত চুলের অবস্থা উন্নত করে।
খনিজ পদার্থ
মিষ্টি আলু অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পদার্থের যেমন পটাসিয়াম, ম্যাগানেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, ক্যালসিয়াম এবং আয়রনের খুব ভালো উৎস যা শর্করা, প্রোটিন এবং এনজাইমের মেটাবলিজমের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সতর্কতা
যদি কারো মুত্রনালীতে পাথর থাকে বা ছিল ওই রকম অবস্থায় অবশ্যই মিষ্টি আলু খাবেন না। আর খেতে চাইলেও ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খাবেন।

মাত্র ২ টি উপকরণে ঘরেই তৈরি করে নিন হেভি ক্রিম ও হুইপড ক্রিম

মাত্র ২ টি উপকরণে ঘরেই তৈরি করে নিন হেভি ক্রিম ও হুইপড ক্রিম

উপকরণঃ
– ৩/৪ কাপ দুধ
– আধা কাপ বাটার
পদ্ধতিঃ
– প্রথমেই দুধ জ্বাল দিয়ে কিছুটা গরম করে নিন। এবং দুধ ফ্রিজে রেখে কিছুটা ঠাণ্ডা করে নিন।
– এরপর বাটার নরম করে নিন সসপ্যানে অল্প আঁচে। চাইলে ৩০ সেকেন্ড মাইক্রোওয়েভ করে বাটার গলিয়ে নিতে পারেন। মনে রাখবেন বাটার যেনো গরম না হয়। শুধু গলে যাওয়া পর্যন্তই রাখুন।
– এরপর ঠাণ্ডা হওয়া দুধে বাটার দিয়ে ভালো করে নেড়ে মিশিয়ে নিন।
– এবারে মূল কাজের জন্য একটি হ্যান্ড মিক্সার বা স্ট্যান্ড মিক্সার নিয়ে হাই পাওয়ারে বিট করতে থাকুন।
– ৩ থেকে ৫ মিনিট বিট করে নিলেই দেখবেন দুধের মিশ্রণ ঘন থকথকে হওয়া শুরু করেছে।
– ব্যস, ক্রিম যতটা ঘন প্রয়োজন ততোটা ঘন করুন। মনে রাখবেন অনেক বেশি সময় ধরে যদি বিট করেন তাহলে স্টিফনেস অনেক বাড়বে। এবং তা হুইপড ক্রিম হয়ে যাবে। খুব সহজ, তাই না। এবার নিজেই চেষ্টা করুন।
– এরপর একটি এয়ার টাইট বক্সে ঢেলে ফ্রিজে রাখুন ২৪ ঘণ্টা। তৈরি আপনার হেভি ক্রিম ও হুইপড ক্রিম। এই ক্রিম যতো ফ্রেশ তৈরি করে খাবারে ব্যবহার করতে পারবেন ততোই ভালো।

পালং শাকের ১০টি চমকপ্রদ উপকারিতা

পালং শাকের ১০টি চমকপ্রদ উপকারিতা


আমাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় শাক-সব্জি থাকা এক কথায় বাঞ্ছনীয়। কারণ এটি ছাড়া সুষম খাবারের শর্তই পূরণ হয়না। আমাদের সবারই উচিত প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় শাক সবজি রাখা। তাই যে খাবারটি প্রতিদিনের তালিকায় থাকবে সেটি সম্পর্কেও আমাদের সবারই কিছু ধারনা রাখা উচিত। আজ তাই পালং শাকের কিছু উপকারিতা জানাতে চাই। এটি এমন একটি সবজি যার রয়েছে অনেক ধরনের উপকারিতা এবং এটি নিয়মিতভাবে খেলে কখনোই আফসোস করবেন না। চলুন, জেনে নিই।

পুষ্টিগুণে ভরপুর-
এক কাপ পালং শাক খাদ্য আঁশের দৈনিক চাহিদার ২০% পূরণ করার সাথে সাথে ভিটামিন এ ও কে-এর দৈনিক চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম। এতে উচ্চ মাত্রার প্রোটিন, ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, আয়রন, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিংক, ফলিক এসিড ও সেলেনিয়াম রয়েছে। এই সমস্ত পুষ্টি উপাদানগুলো শরীরের স্বাভাবিক কাজকর্ম এর জন্য অপরিহার্য।
কম ক্যালরি যুক্ত-
কম ক্যালরি যুক্ত খাবার বাছাই করার ক্ষেত্রে পালং শাক হচ্ছে উপযুক্ত একটি সবজি। কারণ ১০০গ্রাম পালং শাকে রয়েছে মাত্র ৭ কিলোক্যালরি।
রক্তচাপ কমায়-
এতে থাকা উচ্চ মাত্রার ম্যাগনেসিয়ামের কারনে পালং শাক রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে-
এই সবজিতে থাকা বেশি মাত্রার ভিটামিন এ, লিম্ফোসাইট বা রক্তের শ্বেত কণিকার ভালো মাত্রা বজায় রাখে যা দেহের প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করার মূল উপদান। এবং তা দেহকে বিভিন্ন সংক্রমণ ও রোগ থেকে রক্ষা করে।
ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে-
পালং শাকে রয়েছে ১০টিরও বেশি ভিন্ন ধরনের ফ্ল্যাভোনয়েড যা ভয়ানক রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে। এই পলিনিউট্রিয়েন্টস গুলো দেহের ফ্রি র‍্যাডিকেলকে নিরপেক্ষ করে।
চোখের সুরক্ষায়-
সাধারণত সবুজ শাক সবজিতে লুটেন সহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফাইটোকেমিক্যাল থাকে যা দৃষ্টি শক্তির ক্ষতি বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা বন্ধ করতে সাহায্য করে।পালং শাকে রয়েছে উচ্চ মাত্রার বিটা ক্যারোটিন যা চোখের ছানি পড়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
ত্বকের সুরক্ষায়-
পালং শাকে থাকা ভিটামিন এ ত্বকের বাইরের স্তরের আর্দ্রতা বজায় রাখতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটা বিভিন্ন ধরনের ত্বকের সমস্যা যেমন ব্রণ, বলিরেখা পড়া ইত্যাদির দূরীকরণেও বেশ কার্যকর। এছাড়া এটা ত্বকের বয়সের ছাপ পড়ার গতিকে ধীর করে এবং ত্বককে নরম ও স্থিতিস্থাপক অবস্থা ধরে রাখতে সাহায্য করে।
শক্তির মাত্রা বৃদ্ধি করে-
এটা শরীরের ক্লান্তিভাব দূর করে শক্তির মাত্রা বৃদ্ধি করে।এতে রয়েছে উচ্চ মাত্রার আয়রন যা দেহে অক্সিজেন উৎপাদনের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া এতে রয়েছে লিম্ফোবিক এসিড যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যেমন ভিটামিন সি ও ই কে পুনরুজ্জীবিত করতে সাহায্য করে। এটা রক্তের সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং দিনের বেলার ক্লান্তিভাব দূর করে।
প্রদাহ বিরোধী বৈশিষ্ট্য-
পালং শাকে আছে নিওজেন্থিন যা প্রদাহ নিরাময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যাদের জয়েন্টে ব্যাথা আছে তারা অবশ্যই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় এটি রাখলে উপকার পাবেন।
হৃদ যন্ত্রের সুরক্ষায়-
এই সবজিতে থাকা ফলিক এসিড সুস্থ কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেমের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
তাই আমাদের সকলেরই উচিত, যে সবজির এতো উপকারিতা সেই সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য সবজিটি আমাদের খাদ্য তালিকায় নিয়মিতভাবে রাখার।

দইয়ের গুণাগুণ

দইয়ের গুণাগুণ


 দই সারা বিশ্বেই জনপ্রিয়। গ্রিসে এক ধরনের বিশেষভাবে তৈরি দই খাওয়া হয়ে থাকে, তুরস্কের জাতীয় পানীয় আয়রন দই থেকেই তৈরি করা হয়।

এদিকে  ভারত, বাংলাদেশেও দই দিয়ে তৈরি হয় লাস্যি, বোরহানি। বিরিয়ানি বা ভারি খাবারের সঙ্গে বোরহানি হজমে সহায়তা করে। দই যে শুধু হজমে সাহায্য করে তাই নয়, হাড়, ত্বকের সমস্যা ও ছত্রাক সংক্রমণেও দই  উপকারী। আসুন দইয়ের কিছু গুণাগুণের কথা জেনে নেয়া যাক।
১।  প্রোটিন এবং ক্যালসিয়াম: দুধের তৈরি জনপ্রিয় খাবারগুলোর মধ্যে দই একটি। এটি যে শুধু খেতেই মজা তা নয়, অত্যন্ত স্বাস্থ্যকরও বটে। দুধেরমতো দইয়েও রয়েছে উঁচুমাত্রার প্রোটিন এবং হাড় শক্ত করা ক্যালসিয়াম।
২। প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি দই: তবে প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি দইই সবচেয়ে ভালো। এতে থাকে না কোনো বাড়তি রং, চিনি বা গন্ধ।তবে যাদের একদম সাদা দই খেতে ভালো লাগে না,  তারা ফল ছোট ছোট করে কেটে বা সামান্য জেলি মিশিয়ে খেতে পারেন। কিংবা দইয়ে দিতে পারেন অল্প মধু।
৩। দুধের অ্যালার্জি: যাদের দুধ বা ল্যাকটোজ অ্যালার্জি রয়েছে তাদের জন্য দই নিরাপদ। দই তৈরি করার সময় তাপের কারণে ল্যাকটোজ কমে যায়, ফলে এটা নিরাপদ। তাছাড়া আজকাল ল্যাকটোজ-ফ্রি দইও বাজারে পাওয়া যায়।
৪। ক্যালসিয়ামের অভাব পূরণ করে: দই শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব পূরণ করে। গবেষণায় দেখা গেছে অল্প কিছুদিন দই খাওয়ার পর হাড়ের ঘনত্বে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য দিনে ১ হাজার মিলিগ্রাম দইই যথেষ্ট। এটা এমনই একটি খাবার,  যা খেয়ে কখনো কারো কোনো অপকার হয়েছে বলে শোনা যায়নি।
৫। হজম শক্তি বাড়াতে দই: শিশু বয়স থেকে পেট খারাপ হলে দই খাওয়ানোর অভ্যাস করা যেতে পারে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে , এতে হজমশক্তি বেড়ে যায়।  শিশুদের ক্যাপসুল আকারে অথবা সরাসরি দই খাওয়ানো যায়। দই অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে।গ্যাসট্রিকের সমস্যায়ও এটা উপকারী।
৬। ত্বকের সমস্যায় দই: দই ত্বক তরতাজা ও মসৃণ করে ।  ত্বকের  সমস্যায় ইস্ট এর সঙ্গে দই মিশিয়ে ১৫ মিনিট মুখে রেখে ধুয়ে ফেলুন। এছাড়া খুশকির সমস্যায় মাথায় দই মেখে ১৫ মিনিট পরে শ্যাম্পু করে ফেলেও উপকার পাওয়া যায়। সূত্র: ডিডাব্লিউ

ডাবের ৭ উপকারিতা

ডাবের ৭ উপকারিতা


গরমকালে আমাদের পানীয় একটু বেশিই পান করা হয়। বিশেষ করে সফট ড্রিংকস ধরণের অতিরিক্ত ক্যালরি ও চিনিযুক্ত পানীয়ের প্রতিই আমাদের ঝোঁকটা বেশি থাকে। কিন্তু সুস্থ থাকতে চাইলে এবং সত্যিকার অর্থেই গরমের প্রকোপ থেকে মুক্ত থাকতে নিয়মিত ডাবের পানি পান করার অভ্যাস করা উচিত। প্রতিদিন মাত্র ১ গ্লাস ডাবের পানি পান করার অভ্যাস আপনাকে শুধু গরম থেকেই রেহাই দেবে না, এর পাশাপাশি মুক্ত রাখবে ৭ ধরণের শারীরিক সমস্যা থেকে।
১. উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রনে রাখে
ডাবের পানির প্রাকৃতিক মিনারেলস শরীরের রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে এবং সেই সাথে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করে। এতে করে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে এবং এর পাশাপাশি অন্যান্য কার্ডিওভ্যসকুলার রোগের সম্ভাবনা কমে।
২. হজম সমস্যা দূর করে
প্রতিদিন অন্তত ১ গ্লাস ডাবের পানি পান করার ফলে বুকজ্বলা, হজম সমস্যা, অ্যাসিডিটি, পেট ফাঁপার সমস্যা দূরে থাকে। খাবার হজমে সহায়তা করে হজম সংক্রান্ত সকল সমস্যা দূর করে ডাবেন পানি।
৩. ওজন কমাতে সহায়তা করে
ওজন কমানোর জন্য ডায়েটিং করছেন? তাহলে অন্যান্য পানীয়ের মধ্যে বেছে নিন ডাবের পানি। যেকোনো চিনিযুক্ত ফলের জুসের চাইতে বেশি কার্যকরী এই ডাবের পানি। কারণ ডাবের পানিতে বিন্দুমাত্র ফ্যাট নেই।
৪. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
রিবোফ্লেবিন, নিয়াসিন, থায়ামিন এবং পেরিডক্সিন সমৃদ্ধ ডাবের পানি দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করতে সহায়তা করে। এছাড়া ডাবের পানির অ্যান্টিভাইরাল ও অ্যান্টিব্যকটেরিয়াল উপাদান বিভিন্ন ধরনের ভাইরাসের আক্রমণ থেকেও রক্ষা করতে সহায়তা করে।
৫. কিডনির সমস্যা দূরে রাখে
ডাবের পানিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে কার্যকরী মিনারেল যেমন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম। এই মিনারেল সমূহ কিডনির বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে এবং ডাবের পানি ইউরিনের কোনো সমস্যা দূর করে।
৬. ত্বকের সুরক্ষা করে
ডাবের পানি ত্বকের জন্য বিশেষভাবে কার্যকরী। নানা সমস্যা যেমন ভ্রন, মেছতা, ছোপ ছোপ দাগ, উজ্জ্বলতা হারানো, ত্বকের ইনফেকশন এইসব সমস্যা দূর করে নিয়মিত ডাবের পানি পান করার অভ্যাস। পানের পাশাপাশি ত্বকে সরাসরি ডাবের পানি ব্যবহারও অনেক উপকারী।
৭. কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে
ডাবের পানি খাবার হজমে বিশেষভাবে সহায়ক। এতে করে বদহজমের কারণে কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা নিয়মিত ডাবের পানি পান করার অভ্যাসে সহজেই দূর করা সম্ভব।

মেয়েরা কেন প্রতারণা করে

মেয়েরা কেন প্রতারণা করে ?

প্রথমত,
যখন মেয়েরা বুঝতে পারে যে তার সঙ্গী তাকে নিয়ে তৃপ্ত নয়, কিংবা তাকে উপেক্ষা করা হচ্ছে তখন সে নিজেও তার সঙ্গীর সঙ্গে প্রতারণা করা শুরু করে। এবং সে কারণ খুঁজে কেন তার সঙ্গী তার দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে না?
দ্বিতীয়ত,
সঙ্গী যখন অনেক বেশি ব্যস্ত থাকে এবং এজন্য দূরত্ব বজায় রাখে তখন মেয়েরা মনে করে নিশ্চয়ই সে অন্য কারো সঙ্গে সময় কাটাচ্ছে এবং এটা ভেবে সে নিজেও একাকীত্ববোধ থেকে স্বামীর/সঙ্গীর সঙ্গে চিটিং করা শুরু করে।
তৃতীয়ত,
যখন মেয়েরা তার সঙ্গী খুঁজে পায় কিংবা কারো সঙ্গে তার অন্তরঙ্গতা হয় তখন সে নিজেকে তার সঙ্গীর কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ মনে করে এবং সঙ্গমকে গুরুত্বহীন মনে করে। এজন্য তার সঙ্গী অন্য কারো দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে ভেবে সন্দেহ প্রবণ হয়ে চিটিং করে।
চতুর্থত,
অনেক সময় ভালোবাসার রকমফের হয়ে থাকলে মেয়েরা প্রতারণা করে। এক্ষেত্রে তারা সম্পর্কের শুরুর সঙ্গে পরবর্তী সময়ের কথা চিন্তা করে। সম্পর্কের এই তুলনাবোধ থেকে হীনমণ্যতায় ভোগে এবং সঙ্গীর সঙ্গে প্রতারণা করে।
পঞ্চমত,
অনেক সময় স্বামীর সঙ্গ না পাওয়া, মানসিক দুঃশ্চিন্তা, মতের মিল না থাকার কারণেও মেয়েরা ভেঙ্গে পড়ে এবং প্রতারণা করা শুরু করে।

শরীয়তমতে স্ত্রীকে আকৃষ্ট করতে ১০ টিপস

শরীয়তমতে স্ত্রীকে আকৃষ্ট করতে ১০ টিপস

তবে সামান্য কিছু বিষয়ে দৃষ্টি রাখলে স্ত্রীর ভালোবাসা ভালোবাসা অর্জন কোনো ব্যাপারই না। আসুন জেনে নেই এ ব্যাপারে ১০ টিপস। ইন্টারনেট অবলম্বনে লিখেছেন- মো: বাকীবিল্লাহ।
১। স্ত্রীর চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলুন। আলাপের সময় এ দিক সেদিক তাকাবেন না।
২।  নিজেকে পরিপাটি ও পরিচ্ছন্ন রাখুন। সুগন্ধী ব্যবহার করুন। নারীরা সব সময় তার সঙ্গীর পরিপাটি ও সুগন্ধময় পরিধেয় ভালবাসে।
৩।  স্ত্রীকে বিভিন্ন কাজে সহায়তা করুন। মেয়েরা সব সময় সহযোগীদের প্রতি আকৃষ্ট হয়।
৪।  তার বন্ধুদের প্রতি সামাজিক হোন। তাদের নিজের মতো আপন করে নিন। মেয়েরা সাধারণত সামাজিক ও মিশুক প্রকৃতির ছেলের প্রতি আকৃষ্ট হয়।
৫।  একত্রে থাকাবস্থায় অন্য কারো সাথে ফোনালাপ পরিহার করার চেষ্টা করুন। এছাড়া স্ত্রীর সাথে ফোনে কথা বলার সময় বোঝাতে চেষ্টা করুন আপনি তার প্রতি মনোযোগী। তার প্রতি আপনার পূর্ণ আকর্ষণ রয়েছে।
৬। স্ত্রীকে বিভিন্ন প্রশ্ন করুন, বিশেষত তার সম্পর্কে। মেয়েরা সব সময় তার ব্যাপারে আলোচনা পছন্দ করে। যেমন তার ভাল লাগা, প্রিয় জিনিস ইত্যাদি।
৭। কোথাও প্রবেশের সময় আগে গিয়ে দরজা খুলে তাকে স্বাগত জানান। এ বিষয়টি নারীদের ভীষণ প্রিয়।
৮। তার সৌন্দর্যের প্রশংসা করুন। যেমন- তোমাকে খুব সুন্দর লাগছে। পোশাকটিতে তোমাকে ভালো মানিয়েছে ইত্যাদি।
৯। স্ত্রীর কাছ থেকে পরামর্শ নিন। যেমন- কোনো কাজ শুরু করার আগে মতামত চাওয়া। এতে সে ভাববে আপনি তাকে গুরুত্ব দেন।
১০।  তাঁর ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরুন। যেমন তোমাকে হাসিখুশি মনে হয়। তোমার সব কাজই ভালো হয়। তুমি অনেক পজিটিভ ইত্যাদি।
এসব বিষয়ের প্রতি মনোযোগী হলে স্ত্রী আপনার প্রতি ইতিবাচক হবে আকর্ষণ অনুভব করবে।