১০০ পদে মোদিকে স্বাগত জানাবে ঢাকা
বাংলাদেশ সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির
নিরাপত্তা থেকে খাওয়া-দাওয়া সবকিছুতেই
এখন চূড়ান্ত।
কিন্তু, বাংলাদেশ
গেলেও মাছ
ছোঁবেন না
মোদি! এমনকি
ছোঁবেন না
ঢাকার বিখ্যাত
কাচ্চি বিরিয়ানি,
কিংবা মাংসের
নানা কিসিমের
পদ। তাতে
কি! প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনার
সরকারি বাংলো
গণভবনে এলাহি
বন্দোবস্ত, এক শ রকমের নিরামিষ
পদ রেঁধে
সাজিয়ে দেওয়া
হবে অতিথি
প্রধানমন্ত্রীর সামনে। তালিকার মূল অন্ন-পদে থাকছে
ভাঘারেলি খিচুড়ি।
উপকরণ মসুর
ডাল ও
নানা ধরনের
সবজি। একে
বাংলাদেশে মশালা খিচুড়িও বলে। সঙ্গে
থাকবে নানা
ধরনের এবং
স্বাদের ডালনা,
সর্ষে দিয়ে
সজনে ডাঁটা,
আমের চাটনি,
সেও নানা
স্বাদের। থাকবে
মোদির নিজস্ব
পছন্দ ভিন্ডি
কড়ি, ভিন্ডি
অর্থাৎ ঢ্যাঁড়স
আর দুধ
দিয়ে তৈরি।
মোদির পছন্দের
গুজরাটি খাবার
সাদা খাট্টা
ধোকলা ও
থাকবে। এসবের
সঙ্গে থাকবে
তাজা ফল,
আর অবশ্যই
বাংলাদেশের বিখ্যাত পিঠেপুলি, পায়েস, ক্ষীর,
সন্দেশ।নেপালে সার্ক শীর্ষ সম্মেলন চলার সময়ই ভারতের প্রধানমন্ত্রীর অন্য ধরনের খাদ্যাভ্যাস সংবাদমাধ্যমের নজরে আসে। সাংবাদিকরা রীতিমত খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে জানতে চান, কী কী খেতে পছন্দ করেন তিনি। তখনই মোদি জানিয়েছিলেন, তিনি খিচুড়ি খেতে ভালোবাসেন। এ ছাড়া যে কোনো সবজি। খাওয়া নিয়ে কোনো বিলাসিতা নেই তাঁর। তিনি চান না যে তাঁর খাওয়া দাওয়া নিয়ে লোকে অসুবিধেয় পড়ুক। তিনি স্রেফ সুস্থ, সবল থাকতে চান। যদিও মোদিকে আপ্যায়ন করতে গিয়ে অসুবিধে যে হয় না, তা নয়।
গত সেপ্টেম্বরে মোদি যখন জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে যান, তখন নবরাত্রি পালিত হচ্ছিল ভারতে। দিনক্ষণ মেনে নবরাত্রির উপোস করছিলেন মোদি। যে কারণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওবামার দেওয়া নৈশভোজে খাবার খাওয়া দূরে থাক, এক চুমুক জলও খাননি তিনি। এবার বাংলাদেশ সফরের দিন ঠিক হতেই খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দপ্তর থেকে নরেন্দ্র মোদির পছন্দের খাদ্যতালিকা জানতে চাওয়া হয়। তিনি কী কী খান না, সেটাও জেনে নেওয়া হয়। দিল্লি এবং ঢাকার মধ্যে দূতাবাস মারফৎ এই নিয়ে বিস্তারিত তথ্য বিনিময় হয় বলে খবর।
No comments:
Post a Comment